LIfe everyday teaches new things-----experience is the greatest teacher......
Tuesday, January 9, 2018
পারবে তো ?
তুমি রাখাল হতে পারবে?
যদি পাহাড়ি ঝরনা হই ,
তুমি হয়ে যেও পাথরে নুড়ি
ডরপোক নয়তো?
তোমার ছড়ানো চুম্বনে
বাতাসে উত্তরীয় উড়িয়েআউলবাউল সুরে
ছেয়ে যাবে বিপুলের মায়া। নীলসাঁকো চাঁদ থাকুক সাক্ষী।
নিরলস মমতা আর স্নেহের পরশে
আদর মেখে ছুয়ে থাকা অবিরামের মাধুরী?
সব গ্লানি ধুয়ে মধুর হওয়া
ধর্য্য হীন উত্তাল মাতাল মন;
আলোথালু এলোমেলো
নিদারুন শোক স্তব্ধতা ডিঙিয়ে
সোহাগ সাগরে ডুব। পারবে তো ?
কলস কলস কল্পনা
বস্তা পঁচা প্রতিশ্রুতির উটকো ঘ্রাণ
ম্রিয়মান করে
পথ হারাতে পারবে?
৮ই জানুয়ারী ২০১৮
Tuesday, December 19, 2017
ইজ্জত
বিশ বছর আগে পার্ক স্ট্রীট মেট্রো স্টেশনেঅফিস টাইম এতে চকিতে দেখা
যেন মুহূর্তে কোনো গীতিনির্ঝর।
দ্বিধা দ্বন্দ হানা দেবার আগেই
জিজ্ঞেস করে ফেলি সেই নামটা !
যেন সম্ভাবনা কোনো বিমলবৃষ্টির।
মনের গহন মাঝে উঠলো কি ঝড় ?
যতটা স্বভাব সিদ্ধ স্বাভাবিকতা নিয়ে প্রশ্ন করি ,
ততটাই কুন্ঠা, ততটাই অস্বস্তিতে তাড়া থাকার ভান করে উধাও হলে।
কিছু বুঝে ওঠার আগেই ,
নিজেকে নিজের কাছেই অদ্ভত লাগলো।
থমকে গেলাম ,চলে যাওয়া দেখলাম
ফিরে তাকালে কিনা লক্ষ্য করেছিলাম।
আমার নামহীন বর্ণহীন গন্ধহীন অনুভূতি গুলো
ইজ্জত হারালো কিনা , না ভেবেই অফিসের দিকে পা বাড়িয়েছিলাম।
Monday, December 4, 2017
দিকশূন্যপুরের ঝুপড়ি
দিকশূন্যপুরের ঝুপড়ি হাইবারনেশানে যাই যখন তখন
তার অবগাহনে ডুবে যেতে।
ফিরে যাই সেই মাতোয়ারা দিনগুলোতে
জীবনের জরদ্গভ প্রাচীর ডিঙিয়ে
অদ্ভুত এক লুকোচুরি অহর্নিশ;
দিকশুন্যপুরের সেই ঝুপড়িতে
কল্প আলিঙ্গনে আদরের বানভাসিতে দাঁড় বাই।
"ভালোবাসি" বলিনি কখনো কাউকেই
এ জীবনে হয়তো আর বলবোও না কাউকে।
মোহো মায়া থেকে যোজন ক্রোশ দূরে দাঁড়িয়েও সোহাগের চুম্বন লেপা যায়।
ঠোঁটকাটা, বেশরম ,অহংকারীর তকমা লাগে অজান্তেই
প্রেম পীড়িত সোহাগের দুর্যোগ দেখতে দেখতে ক্লান্ত মন।
প্রেমের মর্ম বোঝে কয়জনা?
অভিসার আর অভিনয়ের মধ্যে পেন্ডুলামের চলন
নিমেষকালের মধ্যে আপোষ হীন ভালোবাসার আকালে
টুকরো হয় হৃদয়
ছিন্ন ভিন্ন হয় সমাজ। ভাসাতেই আনন্দ , ভাসাতেই হিল্লোল , ভাসাতেই আছে প্রাণের দোল।
(চিলেকোঠা নভেম্বর ২০১৭)
Friday, November 24, 2017
মৌনতা

চেনা অচেনা বহু প্রেম গড়াগড়ি ফুটপাথে
কিন্তু,পরন্তু।.....সব মিলেমিশে একাকার
শুধু হাহাকার।
দায়বদ্ধতা ছাড়াই প্রেমের ভূমিকা,নাটক
প্রতিশ্রুতি দেবার আর ভাঙার স্পর্ধা।
আবেগ আর বিবেক সৎ ভাই ;
তোষামদের ঘ্রাণে শরীর নিংড়ানোর ছলনা।
সেই একি মৌলিক কাহিনী।
বিপুলের রোদনজাগানিয়া।
পথ হারাতে থাকে আবেগ -
বাকি আরও আরও অনেক রহস্য;মৌনতা গভীর হয়।
Tuesday, November 14, 2017
পরকীয়া

পরকীয়া তে সম্ভাষণ থাকে
বৈধতাতে বাধ্যতা।
লেবেঞ্চুসের মতো অস্থায়ী
আতরের মতো অশেষ
হরিণের নাভী কস্তুরীর সুবাস
ভালোবাসা ক্ষয়ে অভ্যেসে দাঁড়ায়
পরকীয়া তাতে প্রাণ দেয়।
গোপন সব ই আপন।
সাদামাটা জীবনে একরাশ শীতল হাওয়া
জুড়িয়ে দেয়া সব জ্বালা ;
সঙ্গম প্রেমের অন্তিম কাব্য ?/সার্থকতা
সব ইন্দ্রিয় সচেতনাতার ত্তুঙ্গে
সংযম কে তুড়ি দিয়ে উড়িয়ে দিয়ে আলিঙ্গন বদ্ধ হওয়া
প্রেমে পরিণতি পাওয়াটার অর্থ কি ?
অতীত চরম সত্য
বর্তমানের সাথে চলতে থাকে পিছু পিছু
অদৃশ্য সাঁকো পেরোই একটু ছোঁয়া , একটু স্পর্শের লাগি
নিমেষে অশেষ পাওয়া
অন্যথা কিসের এতো হ্যাপা ?
লেলিহান দাবানলে পোড়ে আমার স্বপ্ন
বেঁচে থাকা শুধু পরকীয়ার প্রিয় লাগি।
ব্লটিং পেপারের মতো শুষে নেয়া আমার সমস্ত অভিমান
তাতেই প্রেমে সিক্ত হয় অবৈধ স্বত্বা।
প্রেমের ঠিকানা বদলায়
প্রতীক্ষা পরিণতি পায়ে কি?
(১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬)
Friday, November 10, 2017
গোল্লাছুট
একটি সুরেলা পাখি না একটি নয় , কারণ সুরগুলো আলাদা ;তিন ধরণের ;
নাকি সে একাই এতো রকম সুরের মালিক , জানিনা ;
খুঁজেছি , বেশ কয়েকবার তাকে খুঁজেছি ,
দেখা পাইনি।
প্রেমে বুকে ধড়ফড়ানি হতো ,
এখন ধুঁকপুঁক করলেই ইসিজি করানোর তাগিদ।
সময় সাথে পাল্টে যায় যাপনের মাধুৰ্য।
উচ্ছল স্রোতের বুকে,প্রতি বাঁকে, প্রতি পলে,
নিজের সাথেই গোল্লাছুট।
ঠাকুরমার ঝুলি থেকে খুঁজি বাঁচার রসদ।
ব্যাকরণ মনে হয় ভুল , কী করি ?
আগুনব্যাথিত দাবানলের ছোবল বড্ডো ভয়াবহ।
সমর্পণ করবো ভাবলেও
ভুলের মাশুল গুনি।
(প্রজ্ঞা পারমিতা ভাওয়াল ) ৯ নভেম্বর ১৭
আউলবাউল
কএকটু সুহাসে, খেলে যায় কত প্রজাপতি
নেচে বেড়ায় মৌমাছি
ছড়িয়ে রেণু ;
তবুও কি বাজালো কেউ বেণু?
খ
একটু নয়, অনেকটাই বলা।
না বলাটাই যে বেশি গভীর।
নিঃশব্দে ছড়ায় রেণু প্রজাপতি আর মৌমাছি,
বাগে তাই ফুলের সমাহার।
গ
চাঁদেরও আছে কলঙ্ক হোক যত সাবলীল।
কাস্তে হোক বা থালা
সাঁঝ থেকে সকাল- বাহারের ঘনঘটা;
সূর্য এলেই চোখের আড়াল, ফাঁকি - ফাকা ।
ঘ
প্রেম তো সদাই অন্ধ।
শ্রাবনের ধারা জুড়ায়ে ক্ষতপ্রিয়ার মুখ
সাঁঝে ফোটে ঝিঙাফুল,
সকালে মলিন ভালবাসা।
Monday, November 6, 2017
আছো কেমন?

আছো কেমন?
সেই আগের মতোই ?
নাকি সময়ের স্রোতে ভাসতে ভাসতে ফুল কুড়িয়েছো অঢেল?
কতগুলো বছর পেড়িয়ে
বহু নুড়ি পাথর কুড়িয়েছি যতনে
যাতনাও সয়েছি ,
সেটাই তো স্বাভাবিক যাপন।
আচ্ছা, তোমার ঘরে কি এখনো সব সাদা পর্দা ঝোলে ?
খোলা জানলা দিয়ে হালকা হওয়াতে শুভ্র পর্দা উড়তো
তড়ঙ্গের মতন।
যেন পাল তোলা নৌকো চলেছে হেলেদুলে।
মনে কি পরে সেই সব দিন ?
ক্যাসেট প্লেয়ারে মৃদু রবীন্দ্রসংগীত
সাথে কিছু জরুরী ,কিছু না জরুরী অযথা মৃদুভাষ।
যে যাই বলুক ,দিনগুলো ছিল অপরিশীমের।
বৃষ্টি ঝরতো অঝোরে যখন তখন
টিনের চালের সেই বর্ষার মধুর জলতরঙ্গ;
তোমার বাড়িতে কি এখনো টিনের চাল আছে ?
কখনো মাথায় ছাতা।
নিচে রাস্তায় ছলাৎছল।
তাতেই আমি জমা জলে পা ডুবিয়ে দিলে ,তুমি হতবাক।
কত দীর্ঘ দিন, দীর্ঘ পথ হেঁটে হেঁটে চলেছিলাম দোঁহে ;
কখনো ছিল নীরবতা ,কখনো বাচালতাতে তত্ত্ব কথা। তোমার ছিল
কাছে পেতে চাওয়ার দুর্লঙ্ঘ্য ও অতলতিয়াস
প্রত্যেকটাই দত্যের মতো চপেটাঘাত করে অবিরত। কামনায় মেটে কী প্রেমের পিপাসা ?
প্রেম পিপাসা মর্মভেদী সোহাগ জল লাগি ছিল আকুল।
চাবাগানের কাছেই যেদিন ধ্যাড়ধেড়ে বাসটা অচল হলো ,
কিছু মানুষ নেমে দাঁড়ালো ,
কিছু আবার বসেই রইলো।
আমরা কী করেছিলাম ?
মনে আছে?
নেমে এসে চাবাগানের সরু পথে চললাম উল্লাসে।
আচ্ছা ওই আইডিয়া তা কার ছিল? মনে আছে ?
আমার সবেতেই তর্ক আর নিয়ম ভাঙার প্রবণতাকে
প্রশ্রয় দিয়েছিলে অনায়াসেই।
ফ্রয়েড এর ভাষণে দিস্তা দিস্তা কাগজ লিখতে।
অনায়াসে রবীন্দ্র রচনাবলী নিয়ে
শব্দ নিয়ে , ব্যাকরণ নিয়ে চলত এলেবেলে ভাষণ।
জোনাকির আল্পনার মতো কিছু না বলা কথা
থেকেই যেত।
তুমি সারা রাত জেগে লিখতে আর ভোরের বেলা সেগুলো ছিঁড়তে;
অবশিষ্ট যদি কিছু পেতাম,
চেটেপুটে পড়তাম।
কী এতো লিখতে রাতের পর রাত
আর অবলীলাতে সমাধি ঘটাতে ?
আঁচ করতাম কিন্তু জানতামনা।
আজ ও জানিনা।
Friday, October 27, 2017
ব্যাধি
১৬ অগাস্ট ২০১৭‘ক্যারেক্টার এনালিসিসে ’
ব্যস্ত সবাই
নিজের নয় ,অন্যদের।
কিচ্ছুটি না-ভাবতে পারলে
বেজায় অসুখের হয়ে পড়ে।
এস্রাজের মোহের মতো
নুপুরের ছন্দের মতো একের পর একেকজনের
ডিসেক্শন চলে, কাঁচি ছুরি চলে অবিরাম।
ছুঁড়ে ছেনে,হৃদয়ে পুলক জাগায়;
ভুলে যায় ঝরা বনে আরো কেউ কেউ
তাদের বাদাম কুড়োতে ব্যস্ত।
হেকিম ,বদ্যি ডেকে এই ব্যাধির হবেনা উপশম।
(প্রজ্ঞা পারমিতা )
© Paramita Prajna. All Rights Reserved. Unauthorized use or reproduction for any reason is prohibited
Wednesday, October 25, 2017
নতুন অধ্যায়
এক ঝুড়ি বিষাদ নিয়ে বসলে এসে গা এলিয়ে ,
যেন হৃদয় জুড়ে খাচ্ছে উঁই ;
এতো মেঘাচ্ছন্ন মুখ বড্ডো বিরক্তিকর
আমার শাঁকচুন্নি হাসির আওয়াজে
আরো বিরক্তি ছেয়ে গেলো যেন।
বলি, হলোটা কী ?
ক্ষতবিক্ষত?
গড়ে দিলে কে ? কি ভাবে?
বিষাদের, বিরক্তির ,অভিমানের ,দুঃখের আলপনা কখনো
হয় মনোরম।
ভালোবাসার মায়াপাশ কাটাও ;
ভুলচুকের কাহিনীগুলো বিসর্জন দেয়া যায়না?
ক্যারেক্টার এনালিসিস,মন এনালিসিস , মস্তিষ্কের
চিন্তার এনালিসিস
ঊফফ চরম অসহ্য
উত্তাল সুনামি।
ধ্যাৎ।
ক্ষত কে পরিত্যক্ত করো দক্ষতায়।
মনের বিষাক্ত অসুখ সোজাসাপটা ভাবনার কোলাকুলিতে
ভরিয়ে
ফোটাও পারিজাত।
কণামাত্র কোঁদল নয়
চোখে জ্বালা উঠুক ,বালিশ না ভেজে।
নিশ্চুপ থেকেই উঠে দাঁড়ালে,
অপছন্দের হলো আমার বাচালতা।
স্বপনের ঝড়, ছুঁড়ে ছেনে বিধস্ত তুমি ;
যেন পথটা গড়ে দিলে,
বাতলে দিলেই সা করে চলে যাবে, নতুন অধ্যায়ে ।
Saturday, October 14, 2017
ক্ষত কে নিয়ে যাপন
ক্ষত কে নিয়ে যাপন
স্মৃতির মুকুল দিয়ে ,অন্তরপল্লিতে ঘর বেঁধে অযুত নিযুত কত মানুষ যে গৃহ থেকেও ,সুন্দর সংসার করেও আজ অন্যের আশ্রয়ে জীবন কাটান। কাটাতে বাধ্য হন। মনের মণিকোঠাতে এখনো সেই অতীত খেলা করে অবিরাম। কিছু দিন আগেই এক বৃদ্ধাশ্রমে ,ভরপুর ভালোবাসা পেয়ে মনের কোনাতে নিজেকেই ওখানে খুঁজে যাচ্ছিলাম।
দশ জনের দশ রকমের বিচিত্র কাহিনী। কারুর সাথেই কারুর কোনো মিল বা অতীত মেলেনা। অথচ সবাই সুন্দর ভাবে রয়েছেন অনেক শারীরিক অসুস্থতা সত্বেও। এনারা যে একে অপরের সাথে থাকবেন , কল্পনাতেও হয়তো ভাবেননি কখনো । জীবনের সায়াহ্নে নিজের আত্মজ বা আত্মজা যদি বিশ্বাসঘাতকতা করে ,তাহলে বেঁচে থাকার ইচ্ছে কি করে থাকে ? পৃথিবীটাই তো মূল্যহীন হয়ে পরে।
তাঁদের সান্নিধ্যে কিছু সময় কাটিয়ে ,গল্প করে অন্য একটা পৃথিবীর খোঁজ পাওয়া যায়।
স্মৃতির কোলাজে ঘুনে ধরেনা।অতীতের অঙ্ক মেলেনা। ভুলে ভরা উপলদ্ধির ওড়না যখন গেলো খুলে, জীবনের সায়াহ্নে সব ওলোট পালোট , মলাট পাল্টাতে পাল্টাতে ছিন্ন ভিন্ন। আর পাল্টানো দায়।
ওখানে পেলাম কল্যাণী দত্ত দাস , রোজি ,আরো অনেক কেই । একজন চীনা মহিলাও আছেন। কেউ কেউ বেশ অসুস্থ , তবুও যখন আমি বললাম গান তো গাইতে হবে। কে কে শুরু করবে? একজন যিনি চুপ করেই ছিলেন চেহারাতেই সম্ভ্রান্ত পরিবারের ছাপ। সরু কালো পারের সাদা শাড়ি ,চোখে কালো ফ্রেমের চশমা , ঠিক মাতৃরূপী তাঁকেই চেপে ধরলাম। বললেন , সব ভুলে গেছিতো। আমি বলি, তুমি শুরু করতো, তারপর দেখা যাবে---
উনি শুরু করলেন, ভারত আমার ভারত বর্ষ।
..ভারত আমার ভারতবর্ষ ,স্বদেশ আমার স্বপ্ন গো ,তোমাতে আমরা লভিয়া জন্ম,ধন্য হয়েছি ধন্য গো।ভারত আমার ভারতবর্ষ ,স্বদেশ আমার স্বপ্ন গো ,তোমাতে আমরা লভিয়া জন্ম,ধন্য হয়েছি ধন্য গো।
কৃতী ধরণী তুষার শৃঙ্গে সবুজ সাজানো তোমার দেশ।
তোমার উপমা তুমিই তো মা , তোমার রূপের নাহিতো শেষ।
তোমার সাহোন গহন তমসা সহসা ,নেমে আসে যদি আকাশ তোর।
হাতে হাত রেখে মিলি একসাথে ,আমরা আনিব নতুন ভোর।
ভারত আমার ভারতবর্ষ ,স্বদেশ আমার স্বপ্ন গো ,তোমাতে আমরা লভিয়া জন্ম,ধন্য হয়েছি ধন্য গো।ভারত আমার ভারতবর্ষ ,স্বদেশ আমার স্বপ্ন গো ,তোমাতে আমরা লভিয়া জন্ম,ধন্য হয়েছি ধন্য গো।
ভারত শক্তি দায়িনী ,দাও মা শক্তি ,ঘুচাও দীনতা ভীরু আবেশ।
আঁধার রজনী ভয় কী জননী ,আমরা বাঁচাবো এ মহাদেশ।
রবীন্দ্রনাথ ,বিবেকানন্দ ,বীর সুভাষ এর মহান দেশ ,নাহিতো ভাবনা ,করিনা চিন্তা, হৃদয়ে নাহিতো ভয়ের লেশ।
ভারত আমার ভারতবর্ষ ,স্বদেশ আমার স্বপ্ন গো ,তোমাতে আমরা লভিয়া জন্ম,ধন্য হয়েছি ধন্য গো।ভারত আমার ভারতবর্ষ ,স্বদেশ আমার স্বপ্ন গো ,তোমাতে আমরা লভিয়া জন্ম,ধন্য হয়েছি ধন্য গো।ধন্য হয়েছি ধন্য গো। ধন্য হয়েছি ধন্য গো।
পুরোটা শেষ করলেন--- আমি রুদ্ধশ্বাসে কোথাও হারিয়ে যাচ্ছিলাম।
গলার কাছে একটা দলা অনুভব করছিলাম। তাকিয়ে ছিলাম ওনার দিকেই একদৃষ্টিতে। উনি গান শেষ করে মুচকি হাসলে আমার সম্বিৎ ফিরে এলো , তালিয়া তালিয়া বলে চেঁচিয়ে উঠলাম উচ্ছাসে-- সবাই তখন করতালিতে ভরিয়ে দিলো। আমি অজান্তেই বলে ফেললাম ,"এখনো মনে হয় তোমার এই দেশে জন্মে ধন্য হয়েছো?"
উনি আমাকে স্তব্ধ করে দিলেন একটি কথা বলে ," কেন নয়? এখানেই তো তোমার মতো মেয়েরা আছে , আর সেই জন্যইতো এখনো বাঁচি। "
চোখের কোন ভোরে এলো ,নিজেকে আড়াল করে বললাম-- এরপর কে গাইবে?
অগত্যা আমি ধরলাম একটি গান আর সবাই একসাথে গাইবে কথা দিলো, আর গাইলো , "পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কিরে হায়ে ,সে যে চোখের দেখা প্রাণের কথা সে কী ভোলা যায় ?............"
জীবনের এই কয় ঘন্টার প্রাপ্তি অনেক নাপাওয়াকে কর্পূরের মতো উঠিয়ে দিলো।
রোজির বিদেশী মা বাবা এক এংলো পরিবারকে দত্তক দিয়েছিলেন। সেখানেই সে বেড়ে ওঠে কন্যা হয়ে নয়, পরিচারিকা হয়ে। কথাবার্তাতে ইংরেজিতেই স্বচ্ছন্দ। কারুর সাথে মিশতে দেয়া হতো না।
স্কুল যাওয়া ও মানা। দীর্ঘ এতগুলো বছর কাটানোর পর একটি দুর্ঘটনাতে কোমড়ের হাড় ভেঙে যাওয়াতে, সেই পরিবার রোজি কে হাসপাতালে পাঠিয়ে দায়মুক্ত হন। ওনার কোমরে এখনো প্লেট বসানো আছে। কিন্তু এতো হাসিখুশি আর ফিরে আসার সময় যখন বললো "come again" আমি বললাম "sure" বললে , "May be you will come, but who knows by that time i might leave this world.".
আরো পেলাম চীন এর মহিলা। তিনি হিন্দিতেই কথা বলেন, খুব মিষ্টি। প্রথমেই বললো চীনা চীনা , আর আমি বুঝলাম নাম বুঝি টিনা। তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে বিশেষ তথ্য না থাকলেও তিনি ফুর্তিতে থাকেন-হাসি আর নাচ নিয়ে। কলকাতা শহরেই তাঁর পরিবারের সাথে থাকতেন এবং কাজকর্ম করতেন। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়াতে তাদের কমিউনিটি ওনাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন, কিন্তু সুস্থ হবার পর সেই কমিউনিটি ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করেন আর তখন থেকেই ওনার আস্তানা এইখানে। উনি আমাকে ওনার বাড়ির বিবরণ দিচ্ছিলেন। কোথায় রুম, কোথায় বারান্দা, সেখান থেকে কি করে আরেকটা রুম এতে যাওয়া যায়,,ইত্যাদি।
বাকশূন্যহীন হয়েও অবিরাম হেসে হেসে আনন্দে আছেন একজন। ছবি তুলে ওনাকে দেখলেই উনি হেসে গড়িয়ে আরো তুলতে অনুরোধ করেন আর সেগুলো দেখে কি ফুর্তি। কেক আরেকটুরো দিতে গেলে ,বড়ো বড়ো চোখ করে একগাল হেসে নিলেন।
কল্যাণী দত্ত /দাস এর চোখের অদ্ভুত জ্যোতি তে আমি মোহিত হয়ে বললাম , "খুব দুষ্টু ছিলে , বোঝা যাচ্ছে।"
মিটি মিটি হেসেই যাচ্ছে। আমি বলি- "কয়টা প্রেম করেছিলে বলতো ? বলতে হবে- আড়াল করলে চলবেনা"। উনি বললেন , "নাগো, দাদা ভীষণ স্ট্রিক্ট ছিল , কড়া নজর আর পাহাড়াতে রাখতো । কোথাও একা একা ছাড়তোনা ,জানো ? তারপর তো বিয়ে হলো"। বলি -"তা এখানেতো আনন্দেই আছো , দুষ্টামি করছোনাতো" ?
বললেন সবাই খুব ভালো। মাঝে মাঝে আমি একটু বেশি বিরক্ত করে ফেলি , রাতের বেলা গৌরীকে বলি বাথরুম যাবো। ও কিন্তু কিচ্ছুটি বলেন। অনেক যত্ন করে আমার সাথে যায়।
দুঃখের কথা হলো। ওনাকে যখন বাড়ির কথা জিজ্ঞেস করলাম , কি সুন্দর করে জানালেন, মেয়ে কাছেই থাকে। জানো , আমার নাতনি এবার মাধ্যমিক দেবে। ...অথচ ,পনেরো মিনিটের দূরত্বে বাড়ি ,ওনার মেয়েকে যখন তার মায়ের ছবি দেখিয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, সেই মেয়ে অস্বীকার করেছিল ,এমন কাউকে সে চেনেনা বলেছিল ।
কঠোর সত্যি হলো , ওনার স্বামী ভালো কাজ করতেন , উনিও স্বামী বিয়োগের পর একটা স্কুলের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন। ছেলে কিছুটা বখাটে, সুরাসক্ত । বাড়ি বিক্রি করে যেই টাকা পাওয়া গেছিলো তাতে ভালো ভাবেই স্বাচ্ছন্দেই চলে যাওয়া কথা ছিল। কিন্তু ভাড়া বাড়িতেও ভাড়া না দিতে পাড়ার দরুন গৃহহারা হয়ে পথে , আর তারপর এইখানে সবার সাথে।
অনেক খোঁজা খুঁজির পর ছেলের সন্ধান পাওয়া গেলে মায়ের বেশ মোট পেনশনের কথা জানতে পেরে ওনার অফিসিয়াল কাজ গুলো করতে দ্বায়িত্ব নিতে রাজি হয় সে । কিন্তু কিছুদিন আগেই অপঘাতে ছেলে মারা যায়। এইবার মেয়েকে এই দ্বায়িত্ব দেবার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন হোম কর্তৃপক্ষই। ছয়খানা উকিলের চিঠি পাবার পর তার সাড়া পাওয়া গেছে , শম্বুক গতিতে কবে এর সুরাহা হবে, অজানা।
রাজস্থানের আজমের নিবাসী এক গোঁড়া হিন্দু পরিবারের জন্ম হওয়া আরেকজনকে পা ভাঙা ,চলৎশক্তিহীন অবস্থাতে লোরেটোর একজন কর্মী রাস্তার ধারে ওনাকে খুঁজে পায় দেড়মাস অধিককাল হাসপাতালে তার পায়ের ফিমার অস্থি জোড়া লাগানো হয়, চোখের অপারেশন ও হয়। তারপর থেকেই এখানে আছেন।জানা যায় স্বচ্ছল পরিবারের গৃহবধূ ছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর তার আত্মীয় কুটুম্ব রা তাকে প্রাপ্য সম্পতি থেকে বঞ্চিত করেন। ওনার সন্তান সন্ততির সম্বন্ধে বিশেষ কিছু বলতে চাননি। সম্পর্কের চাইতে বড়োতো তার দায়বদ্ধতা ।।ভালোবাসার চাইতে বড়োতো সততা।
ক্ষত কে পরিত্যাক্ত করার দক্ষতায় পারদর্শিনী হয়ে উঠতে হয়েছে এঁনাদের ।
ক্ষত তে আলিঙ্গনের স্পর্শ দিয়ে মমত্ব দিয়ে রাখেন জড়িয়ে। আধপোড়া সুখ আর বিষাদময় অতীতের আর্তনাদ ছাঁকনি দিয়ে ছাকেন নিত্য।মরমের ঘরে ঝুলছে তালা,ক্ষত কে নিয়ে যাপন।নি:শব্দের ভেতরে শব্দ খেলা করে অবিরাম। ----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
Sent on 20th Sept 2017
CHILEKOTHAeMag: কবিতা / দিকভ্রান্ত / প্রজ্ঞা পারমিতা ভাওয়াল
CHILEKOTHAeMag: কবিতা / দিকভ্রান্ত / প্রজ্ঞা পারমিতা ভাওয়াল:
১
নিশ্ছিদ্র সৌকর্ষে ভাবনার সাগরে রাখি
পাছে পারিজাত যায় হারিয়ে ।
নীল নীলিমায় জোছনার ওড়না পরাই তারাদের ...
আগুনে নয় , দহনে নয় ,
বিরহে ,ভালোবেসে
ডুবুরি হয়ে মুক্তো করে রাখি যতনে।
২
ভাবনার কোলাজ
দেয়ালে লটকানো ;
তুমি আসো যদি
লাল দাগ কাটি।
বিবাগী হিয়া
দীর্ঘশ্বাসে ভরপুর।
৩
আহত হৃদয়
লোহিতকণিকাদের সমাধি,
মন তবুও মশাল জ্বালায় ।
দিকভ্রান্ত।
যেন সুগন্ধী ধুপ জ্বলছে
ধোঁয়া ছড়ায় রঙ আর সহস্র রঙের কথামালা।
৪
অস্তিত্বের শেকড়ে টান;
ফিরে পাবার দারুণ ক্ষুধা
পথটা বাতলে দিলেই সাঁ করে চলে যাই।
অঙ্গীকার বদ্ধ সোহাগে
ছলনার গোপন প্রলেপ।
তোমায় খুঁজতে গিয়ে পথ হারাই।
১
নিশ্ছিদ্র সৌকর্ষে ভাবনার সাগরে রাখি
পাছে পারিজাত যায় হারিয়ে ।
নীল নীলিমায় জোছনার ওড়না পরাই তারাদের ...
আগুনে নয় , দহনে নয় ,
বিরহে ,ভালোবেসে
ডুবুরি হয়ে মুক্তো করে রাখি যতনে।
২
ভাবনার কোলাজ
দেয়ালে লটকানো ;
তুমি আসো যদি
লাল দাগ কাটি।
বিবাগী হিয়া
দীর্ঘশ্বাসে ভরপুর।
৩
আহত হৃদয়
লোহিতকণিকাদের সমাধি,
মন তবুও মশাল জ্বালায় ।
দিকভ্রান্ত।
যেন সুগন্ধী ধুপ জ্বলছে
ধোঁয়া ছড়ায় রঙ আর সহস্র রঙের কথামালা।
৪
অস্তিত্বের শেকড়ে টান;
ফিরে পাবার দারুণ ক্ষুধা
পথটা বাতলে দিলেই সাঁ করে চলে যাই।
অঙ্গীকার বদ্ধ সোহাগে
ছলনার গোপন প্রলেপ।
তোমায় খুঁজতে গিয়ে পথ হারাই।
CHILEKOTHAeMag: কবিতা / জীবনবোধ/ প্রজ্ঞা পারমিতা ভাওয়াল
CHILEKOTHAeMag: কবিতা / জীবনবোধ/ প্রজ্ঞা পারমিতা ভাওয়াল:
তোমায় নিয়ে কি করি ভাবতে ভাবতে
চড়া পেড়িয়ে পা ভিজিয়ে ফেলি
তোমায় কোথায় দেই ঠাঁই ভাবতে ভাবতে
সাগরের অতলে ডুবতে থাকি ;
তোমার ডাকের অসীমতাকে
অগ্রাহ্য করতে করতেই বার বার সারা দিয়ে ফেলি।
ঘোর সঙ্কটে , চরম সঙ্কোচে
না বলতে বলতেই হ্যাঁ বলে ফেলি।
এক নির্মম অশান্তিতে সংঘর্ষ চলে অহরহ ,
যুদ্ধ অনবরত।
পুরুষালি ধৃষ্টতা অজানা নয়।
সমাজের ভয়ভীতিতে উদাসীন আমি
জড়িয়ে ধরিনা অযথা তবুও ,
ভাসিনা মিথ্যে প্রতিশ্রুতির ভেলায়।
তত্ত্বে নয় সত্ত্বে থাকি
অন্তরপল্লীতে ঘর বাঁধি ;
মেঘের আঁচলে ভাসাই সোহাগ,
মরমে মর্মে অনুক্ষণ জড়িয়ে রাখি জীবনবোধ। CHILEKOTHAeMag: বর্ষাকালীন চুম্বন - প্রজ্ঞা পারমিতা ভাওয়াল
CHILEKOTHAeMag: বর্ষাকালীন চুম্বন - প্রজ্ঞা পারমিতা ভাওয়াল:
পরকীয়াতে মগ্ন মধ্যবয়স্ক প্রেমিক প্রেমিকার বর্ষাকালীন চুম্বন
মাঝপথে আটকে গেল
সুবিধে-অসুবিধে বোধে বন্দী
ঝড়ের আভাসে নিষেধের নামাবলী;
হুতাশে মন উচাটন-
পরকীয়াতে মগ্ন মধ্যবয়স্ক প্রেমিক প্রেমিকার বর্ষাকালীন চুম্বন
মাঝপথে আটকে গেল
সুবিধে-অসুবিধে বোধে বন্দী
ঝড়ের আভাসে নিষেধের নামাবলী;
হুতাশে মন উচাটন-
এক স্তব্ধ উপলব্ধি,
গোপন খামে সাজানো অক্ষর কবিতা হয়ে ওঠে।
বোটানিক্যাল গার্ডেনের পাতারা দোল খায়।
সেই বৃদ্ধ বৃক্ষ
সুমধুর, দুর্বোধ্য, গড়ন, পতন, আলিঙ্গনের, চুম্বনের, প্রেম অপ্রেমের সাক্ষী।
ঘরেতে আগল, হৃদয়ে শিকল , কুটিল জটিল হাসি
জ্যোৎস্না বিধ্বস্ত জীবন।
জীবন্ত লাশ,ম্লান মুখে দীর্ঘকায় স্বপ্ন;
যেদিন তাদের শান্ত অনুভুতি, উপলব্ধির ঋজুতায়
গোপন খামে সাজানো অক্ষর কবিতা হয়ে ওঠে।
বোটানিক্যাল গার্ডেনের পাতারা দোল খায়।
সেই বৃদ্ধ বৃক্ষ
সুমধুর, দুর্বোধ্য, গড়ন, পতন, আলিঙ্গনের, চুম্বনের, প্রেম অপ্রেমের সাক্ষী।
ঘরেতে আগল, হৃদয়ে শিকল , কুটিল জটিল হাসি
জ্যোৎস্না বিধ্বস্ত জীবন।
জীবন্ত লাশ,ম্লান মুখে দীর্ঘকায় স্বপ্ন;
যেদিন তাদের শান্ত অনুভুতি, উপলব্ধির ঋজুতায়
প্রেমহীন বুকের শিখা
থরথর কাঁপা থেকে ত্রাস হীন স্থির।
থরথর কাঁপা থেকে ত্রাস হীন স্থির।
আঙুলে আঙুলে কোলাকুলিতে
হৃদয় সিঁচে প্রেমের, শ্রদ্ধার, বিশ্বাসের
ডানায় ভেসে
ডানায় ভেসে
অতিক্রম করলো সেই জড়তা,
পরকীয়া প্রাণ পেলো ,
পরকীয়া প্রাণ পেলো ,
বোটানিক্যাল গার্ডেনের
পাতারা দোল খেলো ।
পাতারা দোল খেলো ।
CHILEKOTHAeMag: কবিতা / ভাবনার ছানাপোনারা ভেতরপাড়াতে তোলপাড় / প্...
CHILEKOTHAeMag: কবিতা / ভাবনার ছানাপোনারা ভেতরপাড়াতে তোলপাড় / প্...:
অকারণ, ধুঁকপুঁক
অবিরাম ।
আকাঙ্ক্ষার চরমে -
গগনচুম্বী কামনারা চাঙ্গা
পথটা পিচ্ছিল
নিজের কাছে নিজেকে প্রমাণ করার দায়বদ্ধতা।
অনেক প্রতিশ্রুতিতে আবদ্ধ করা চরম অভিলাষ।
অকারণ, ধুঁকপুঁক
অবিরাম ।
এক জীবনে সবাইরে যায় নাকি চেনা ?
প্রশ্রয় ! প্রেমের প্রশ্রয়।
উষ্ণতার দুটো নগ্ন দেহ থাকে মগ্ন।
প্রশ্রয় ! প্রেমের প্রশ্রয়।
উষ্ণতার দুটো নগ্ন দেহ থাকে মগ্ন।
মাঝে মাঝেই সমর্পনের ইচ্ছে জাগে।
লন্ডভন্ড এক লহমায়
সমস্ত লজ্জা উবে যায় কর্পূরের মত
নিরাভরণ দেহের উত্তাপে বিলীন হয়।
লন্ডভন্ড এক লহমায়
সমস্ত লজ্জা উবে যায় কর্পূরের মত
নিরাভরণ দেহের উত্তাপে বিলীন হয়।
দুর্বল মুহূর্তে একান্তে অভিলাষ,
নিরালায় দুঃখ বিলাস
স্মৃতিমেদুর হয় শিহরণ ;
সেই জং ধরা টিনের ট্রাঙ্কে এখনো
সেই জং ধরা টিনের ট্রাঙ্কে এখনো
সব কামনা বাসনা বন্দী।
প্রেমের বন্যাতে অকপটে দ্বিধাহীন
স্বীকারোক্তি ?
স্বীকারোক্তি ?
নাভিশ্বাসে
বাথটাবে
বর্ণিল প্রজাপতির কোমল ডানাতে
জোনাকির অল্পনাতে
ঝিলের মাছের নৃত্যে
গন্ধরাজের সুবাসে
কৃষ্ণচূড়ার লালিমাতে
আরো অনেক কিছুতেই
জোনাকির অল্পনাতে
ঝিলের মাছের নৃত্যে
গন্ধরাজের সুবাসে
কৃষ্ণচূড়ার লালিমাতে
আরো অনেক কিছুতেই
আমি ও খুঁজছি তোমায়।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য।
উম্মুক্ত পা এর পাতাতে স্পর্শে
নীল খাতার পাতায়
ইতিউতি পড়ে থাকা চুম্বনে আকাঙ্ক্ষার চরমে -
গগনচুম্বী কামনারা চাঙ্গা
পথটা পিচ্ছিল
নিজের কাছে নিজেকে প্রমাণ করার দায়বদ্ধতা।
অনেক প্রতিশ্রুতিতে আবদ্ধ করা চরম অভিলাষ।
Subscribe to:
Posts (Atom)
Bhalo thakar bikalpo nei, kharap tai thakte nei.........
জীবন সুধা করে পান , আনন্দে গ্রহণ করি সব দান ,
মিছি মিছি কেন আহা দুখকে অপবাদ দিয়ে কারো অপমান ?
সুখ পাখি ডানা ঝাপটে সদাই দায়ে জানান -- জীবনের দাম !
কষ্ট কে ঠেলবে যত দূরে , সে আসবে ধেয়ে ...
তাকেও দিয়ে সম্মান ,জীবনকে কে করি চলো আনন্দের বাগান
তুমি শুধু
তুমি শুধু থেকো মোর মনের ঈশান কোণে.....সব কিছু তুচ্ছ করে ভালো বাসবো জীবনকে ...এলোমেলো জীবন আমি সাজবো প্রাণ ভরে ...বাঁচব আবার নতুন করে ,নতুন উদ্দমে..







