Wednesday, February 14, 2018

বর্তমানে বাঁচি

অনর্গল ভালোবাসার কথা, ভালো লাগে?
অবিকল স্ত্রোত্রের মতন লেখা ,ভালো লাগে?মধুর ঠোঁটের প্রেমের প্রলাপ ,ভালো লাগে?
অফুরানের প্রশ্রয়,ভালো লাগে ?
সারাক্ষন স্মৃতির আস্ফালন , ভালো লাগে?

তার চেয়ে চলো অন্য কিছু বলি
অন্য কিছু লিখি
অন্য গীত গাই
প্রশ্রয়ের পাহাড় ভাঙি
বর্তমানে বাঁচি।

১৪ই ফেব্রয়ারি ২০১৮
© Paramita Prajna. All Rights Reserved. Unauthorized use or reproduction for any reason is prohibited

বেদনার ঘুড়ি


সমস্যা গুলো ধেয়ে আসে প্রবল বেগে
একটাকে সরাতে চাইলে অন্যটা গতিবেগ বাড়িয়ে ফনা  তোলে
প্রত্যেকটাই দত্যের মতো চপেটাঘাত করে অবিরত
ক্লান্ত হবার
দেয়না সময়

ঘুমে জাগরণে নিশিদিন
চলে তান্ডব তাদের 
বেপরোয়া আমি ড়ে  যাই ;
আনাচে কানাচে লুকোনো দায় ,

ছোবল বড্ডো ভয়াবহ। 

পালাতে শিখিনি
তাই জাপ্টে ধরি 

মনের ভেতর চলে ক্যারাটে কুমফু ,
নিধন করেই চলি কে একে, একা  একাই।
কাঙাল মন।
আড়ম্বর হীন বেদনার ঘুড়ি ওড়ানোর উৎসবে সামিল
পাগলামোর বীজ জড়োসড়োতাবু কাটে, ছেঁড়ে, খায়।

Wednesday, February 7, 2018

খেলা

একটা
দুটো
অনেক
এলো গেলো আমার মনের গোলাপ বনে;
শুধুই কি ছুঁয়ে যাওয়া
কেবল কি মুগ্ধতা
সৌরভের নাকি সৌন্দর্যের আকর্ষণ ?
পরাগের লোভ নাকি সোহাগের খেলা ?


আগামীর যাপন

হৃদসায়রের ক্ষয়ের কাব্য লিখবো।
মেঘ পিয়ন দেবে পৌঁছে তাকে।

ভ্রমরকে নুপূর পরিয়ে পাঠাবো।
দুঃখ বা অনুরাগ খুব জানাজানির বা বিকাশের হয় কি ?

দিঘল স্ত্রোত্রের মতন
চাওয়ার বেবাক ইচ্ছেগুলো উপুড়ঝুপুড় করে ছড়িয়ে দেব ;

জাহান্নামে পৌঁচেছি যাহার নামের দৌলতে ,
তার আগামীর যাপন সুরভিত করবো।

Tuesday, January 30, 2018

পিপাসা?




আমি আসছি।
টিকেট কনফার্ম।
দেখা হবে। শোনা হবে।

ভিড় থেকে একটু আঁড়ালে যাবার লোভ
নাকি সুনিবিড় পাগলামোর এক চিলতে আশা ?
কাছে পেতে চাওয়ার দুর্লঙ্ঘ্য ও অতলতিয়াস।
অনুভূতির জ্বর,অসহিষ্ণুতার জ্বর , কেঁপে কেঁপে ওঠে নিরন্তর ; কামনা বাসনার  জ্বর ওঁৎ পেতে থাকে
সোহাগ জল প্রশমিবে কি প্রেম পিপাসা?
হারিয়ে যাওয়ার লোভ সামলানো কী এতো সোজা ?
ঘুমে জাগরণে নিশিদিন স্বপ্নের ঘোরে  বিভোরনাকি অহেতুক একঘেয়েমি থেকে  খানিক স্বস্তির সন্ধান :

কবিতা /বাঁচার ইচ্ছে / প্রজ্ঞা পারমিতা ভাওয়াল


  বিনুনি বানাই আমার সমস্ত বিরহের,
দোলাই একান্তে।
সাঁকো  পেরিয়েই চলে এস
আঙুলে আঙ্গুল ছুঁয়ে পিছু পিছু।
মনখারাপের ঝুলি নিয়ে কাবুলিওয়ালার সাথে ভাব ;
প্রহর গুনি অপেক্ষায়।
মৃত্যুকে ভয় পাইনি আগে
আজকাল বড্ড বাঁচতে ইচ্ছে করে;
মুখ ভরেছে কতনা বলিরেখায়
চুলে ধরেছে পাক, বেশ ক’টা দাঁত উধাও!
চোখে চশমা,
অভিজ্ঞতার  কিছু বলিরেখা বলে অন্য কথা ।
মনের  জেলখানার আর্তনিনাদ ভুলে
নতুন করে বাঁচতে চায় এই জীবন।

Wednesday, January 10, 2018

LIFE - Paramita Bhowal: কুচকাওয়াজ

LIFE - Paramita Bhowal: কুচকাওয়াজ:
ঘুণে ধরা ,পোকাতে কাটা,
ছিন্নভিন্ন, তিক্ত সম্পর্কগুলোতে
পেস্টিসাইড আর আতরের স্প্রে দিয়ে রাখি।
কখনো যদি আদিখ্যেতার কুচকাওয়াজ কানে আসে, ব...

Tuesday, January 9, 2018

কুচকাওয়াজ



ঘুণে ধরা ,পোকাতে কাটা,

ছিন্নভিন্ন, তিক্ত সম্পর্কগুলোতে

পেস্টিসাইড আর আতরের স্প্রে দিয়ে রাখি।

কখনো যদি আদিখ্যেতার কুচকাওয়াজ কানে আসে,

বেবাক কুঁড়িগুলি ফুটতে দেব অবলীলায়।

পারবে তো ?


পারবে তো ?
তুমি রাখাল হতে পারবে?
যদি
পাহাড়ি ঝরনা হই ,
তুমি হয়ে যেও পাথরে নুড়ি

ডরপোক নয়তো?

তোমার ছড়ানো চুম্বনে

বাতাসে উত্তরীয় উড়িয়েআউলবাউল সুরে
ছেয়ে যাবে বিপুলের মায়া।
নীলসাঁকো চাঁদ থাকুক সাক্ষী।

নিরলস মমতা আর স্নেহের পরশে
আদর মেখে ছুয়ে থাকা
অবিরামের মাধুরী?

সব গ্লানি  ধুয়ে মধুর হওয়া
ধর্য্য হীন উত্তাল মাতাল মন;
আলোথালু এলোমেলো
নিদারুন শোক স্তব্ধতা ডিঙিয়ে

সোহাগ সাগরে ডুব। পারবে তো ?

কলস কলস কল্পনা
বস্তা পঁচা  প্রতিশ্রুতির উটকো ঘ্রাণ
ম্রিয়মান করে
পথ হারাতে পারবে?

৮ই জানুয়ারী ২০১৮

Tuesday, December 19, 2017

ইজ্জত

বিশ বছর আগে পার্ক স্ট্রীট মেট্রো স্টেশনে
অফিস টাইম এতে চকিতে দেখা
যেন মুহূর্তে কোনো গীতিনির্ঝর।
দ্বিধা দ্বন্দ  হানা দেবার আগেই
জিজ্ঞেস করে ফেলি সেই নামটা !
যেন সম্ভাবনা কোনো বিমলবৃষ্টির।
মনের গহন মাঝে উঠলো কি ঝড় ?
যতটা স্বভাব সিদ্ধ স্বাভাবিকতা নিয়ে প্রশ্ন করি ,
ততটাই কুন্ঠা, ততটাই অস্বস্তিতে তাড়া থাকার ভান করে উধাও হলে।
কিছু বুঝে ওঠার আগেই ,
নিজেকে নিজের কাছেই অদ্ভত লাগলো।
থমকে গেলাম ,চলে যাওয়া দেখলাম
ফিরে তাকালে কিনা লক্ষ্য করেছিলাম।
আমার নামহীন বর্ণহীন গন্ধহীন অনুভূতি গুলো
ইজ্জত  হারালো কিনা , না ভেবেই অফিসের দিকে পা বাড়িয়েছিলাম।

Monday, December 4, 2017

দিকশূন্যপুরের ঝুপড়ি

দিকশূন্যপুরের  ঝুপড়ি
হাইবারনেশানে যাই যখন তখন
তার অবগাহনে ডুবে যেতে।
ফিরে যাই সেই মাতোয়ারা দিনগুলোতে
জীবনের জরদ্গভ প্রাচীর ডিঙিয়ে
অদ্ভুত এক লুকোচুরি অহর্নিশ;
দিকশুন্যপুরের সেই ঝুপড়িতে
কল্প আলিঙ্গনে আদরের বানভাসিতে দাঁড় বাই।

"ভালোবাসি" বলিনি কখনো কাউকেই
এ জীবনে হয়তো আর বলবোও না কাউকে।
মোহো মায়া থেকে যোজন ক্রোশ দূরে দাঁড়িয়েও সোহাগের চুম্বন লেপা যায়।

ঠোঁটকাটা, বেশরম ,অহংকারীর তকমা লাগে অজান্তেই
প্রেম পীড়িত সোহাগের দুর্যোগ দেখতে দেখতে ক্লান্ত মন।
প্রেমের মর্ম বোঝে কয়জনা?
অভিসার আর অভিনয়ের মধ্যে পেন্ডুলামের চলন
নিমেষকালের মধ্যে আপোষ হীন ভালোবাসার আকালে
টুকরো হয় হৃদয়
ছিন্ন ভিন্ন হয় সমাজ। ভাসাতেই আনন্দ , ভাসাতেই হিল্লোল , ভাসাতেই আছে প্রাণের দোল।


(চিলেকোঠা নভেম্বর ২০১৭)

Friday, November 24, 2017

মৌনতা



চেনা অচেনা বহু প্রেম গড়াগড়ি ফুটপাথে
কিন্তু,পরন্তু।.....সব মিলেমিশে একাকার
শুধু হাহাকার।



দায়বদ্ধতা  ছাড়াই প্রেমের ভূমিকা,নাটক
প্রতিশ্রুতি দেবার আর ভাঙার স্পর্ধা।
আবেগ আর  বিবেক সৎ ভাই ;

তোষামদের ঘ্রাণে শরীর নিংড়ানোর ছলনা।
সেই একি
মৌলিক কাহিনী।
বিপুলের রোদনজাগানিয়া।

পথ হারাতে থাকে আবেগ   -
বাকি আরও আরও অনেক রহস্য;মৌনতা গভীর হয়।

Tuesday, November 14, 2017

পরকীয়া


পরকীয়া তে  সম্ভাষণ থাকে
বৈধতাতে বাধ্যতা।
লেবেঞ্চুসের মতো  অস্থায়ী
আতরের  মতো অশেষ
হরিণের নাভী কস্তুরীর সুবাস
ভালোবাসা ক্ষয়ে অভ্যেসে দাঁড়ায়
পরকীয়া তাতে প্রাণ দেয়।
গোপন সব ই  আপন।
 সাদামাটা  জীবনে একরাশ শীতল হাওয়া
জুড়িয়ে দেয়া সব জ্বালা ;
সঙ্গম প্রেমের অন্তিম কাব্য ?/সার্থকতা
সব ইন্দ্রিয় সচেতনাতার ত্তুঙ্গে
সংযম কে তুড়ি দিয়ে উড়িয়ে দিয়ে আলিঙ্গন বদ্ধ হওয়া
প্রেমে পরিণতি পাওয়াটার অর্থ কি ?
অতীত চরম সত্য
বর্তমানের সাথে চলতে থাকে পিছু পিছু
অদৃশ্য সাঁকো পেরোই  একটু ছোঁয়া , একটু স্পর্শের লাগি

নিমেষে   অশেষ পাওয়া
অন্যথা কিসের এতো হ্যাপা ?
লেলিহান দাবানলে পোড়ে  আমার স্বপ্ন
বেঁচে থাকা শুধু পরকীয়ার প্রিয় লাগি।
ব্লটিং পেপারের মতো শুষে নেয়া আমার সমস্ত অভিমান
তাতেই প্রেমে সিক্ত হয় অবৈধ স্বত্বা।
প্রেমের ঠিকানা বদলায়
প্রতীক্ষা   পরিণতি পায়ে কি?

(১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬)

Friday, November 10, 2017

গোল্লাছুট


একটি সুরেলা পাখি
না একটি নয় , কারণ সুরগুলো আলাদা ;তিন ধরণের ;
নাকি সে একাই এতো রকম সুরের মালিক , জানিনা ;
খুঁজেছি , বেশ কয়েকবার তাকে খুঁজেছি ,
দেখা পাইনি।

প্রেমে বুকে ধড়ফড়ানি হতো ,
এখন ধুঁকপুঁক করলেই ইসিজি করানোর তাগিদ।

সময় সাথে পাল্টে যায় যাপনের মাধুৰ্য।
উচ্ছল স্রোতের বুকে,প্রতি বাঁকে, প্রতি পলে,
নিজের সাথেই গোল্লাছুট।

ঠাকুরমার ঝুলি
থেকে খুঁজি বাঁচার রসদ।
ব্যাকরণ  মনে হয়
ভুল  , কী করি ?
আগুনব্যাথিত দাবানলের
ছোবল বড্ডো ভয়াবহ।
সমর্পণ করবো ভাবলেও
ভুলের মাশুল গুনি।
(প্রজ্ঞা পারমিতা ভাওয়াল )
৯ নভেম্বর ১৭

আউলবাউল


একটু সুহাসে, খেলে যায় কত প্রজাপতি
নেচে বেড়ায় মৌমাছি
ছড়িয়ে রেণু ;
তবুও কি বাজালো কেউ বেণু?

একটু নয়, অনেকটাই বলা।
না বলাটাই যে বেশি গভীর।
নিঃশব্দে ছড়ায় রেণু প্রজাপতি আর মৌমাছি,
বাগে তাই ফুলের সমাহার।

চাঁদেরও আছে কলঙ্ক হোক যত সাবলীল।
কাস্তে হোক বা থালা
সাঁঝ থেকে সকাল- বাহারের ঘনঘটা;
সূর্য এলেই চোখের আড়াল, ফাঁকি - ফাকা ।

প্রেম তো সদাই অন্ধ।
শ্রাবনের ধারা জুড়ায়ে ক্ষত
প্রিয়ার মুখ
সাঁঝে ফোটে ঝিঙাফুল,
সকালে মলিন ভালবাসা।

Monday, November 6, 2017

আছো কেমন?


আছো কেমন?
সেই আগের মতোই ?
নাকি সময়ের স্রোতে ভাসতে ভাসতে ফুল কুড়িয়েছো অঢেল?

কতগুলো বছর পেড়িয়ে
বহু নুড়ি পাথর কুড়িয়েছি যতনে
যাতনাও সয়েছি ,
সেটাই  তো স্বাভাবিক যাপন।

আচ্ছা, তোমার ঘরে কি এখনো সব সাদা পর্দা ঝোলে ?
খোলা জানলা দিয়ে হালকা হওয়াতে  শুভ্র
পর্দা উড়তো
তড়ঙ্গের মতন।
যেন পাল তোলা নৌকো চলেছে হেলেদুলে।
মনে কি পরে সেই সব দিন ?
ক্যাসেট প্লেয়ারে  মৃদু রবীন্দ্রসংগীত
সাথে কিছু জরুরী ,কিছু না জরুরী  অযথা মৃদুভাষ।

যে যাই বলুক ,দিনগুলো ছিল অপরিশীমের।

বৃষ্টি ঝরতো অঝোরে যখন তখন
টিনের চালের সেই বর্ষার মধুর জলতরঙ্গ;
তোমার বাড়িতে কি এখনো টিনের চাল আছে ?
কখনো মাথায় ছাতা।
নিচে রাস্তায় ছলাৎছল।
তাতেই আমি জমা জলে পা ডুবিয়ে দিলে ,তুমি হতবাক।

কত দীর্ঘ দিন, দীর্ঘ পথ হেঁটে হেঁটে চলেছিলাম দোঁহে ;
কখনো ছিল নীরবতা ,কখনো বাচালতাতে তত্ত্ব কথা।
তোমার ছিল
কাছে পেতে চাওয়ার দুর্লঙ্ঘ্য ও অতলতিয়াস
প্রত্যেকটাই দত্যের মতো চপেটাঘাত করে অবিরত।
কামনায় মেটে কী প্রেমের পিপাসা ?
প্রেম পিপাসা
মর্মভেদী সোহাগ জল লাগি  ছিল আকুল।

চাবাগানের কাছেই যেদিন ধ্যাড়ধেড়ে বাসটা অচল হলো ,
কিছু মানুষ নেমে দাঁড়ালো ,
কিছু আবার বসেই রইলো।
আমরা কী করেছিলাম ?
মনে আছে?
নেমে এসে চাবাগানের সরু পথে চললাম উল্লাসে।
আচ্ছা ওই আইডিয়া তা কার ছিল? মনে আছে ?

আমার সবেতেই তর্ক আর নিয়ম ভাঙার প্রবণতাকে 

প্রশ্রয় দিয়েছিলে অনায়াসেই।
ফ্রয়েড এর ভাষণে দিস্তা দিস্তা কাগজ লিখতে।
অনায়াসে রবীন্দ্র রচনাবলী নিয়ে
শব্দ নিয়ে , ব্যাকরণ নিয়ে চলত এলেবেলে ভাষণ।
জোনাকির আল্পনার মতো কিছু না বলা কথা
থেকেই যেত।

তুমি সারা রাত  জেগে লিখতে আর ভোরের বেলা সেগুলো ছিঁড়তে;
অবশিষ্ট যদি কিছু পেতাম,
চেটেপুটে পড়তাম।
কী এতো লিখতে  রাতের পর রাত
আর অবলীলাতে   সমাধি ঘটাতে ?
আঁচ করতাম কিন্তু জানতামনা।
আজ  ও জানিনা।

Bhalo thakar bikalpo nei, kharap tai thakte nei.........

জীবন সুধা করে পান , আনন্দে গ্রহণ করি সব দান ,
মিছি মিছি কেন আহা দুখকে অপবাদ দিয়ে কারো অপমান ?
সুখ পাখি ডানা ঝাপটে সদাই দায়ে জানান -- জীবনের দাম !
কষ্ট কে ঠেলবে যত দূরে , সে আসবে ধেয়ে ...
তাকেও দিয়ে সম্মান ,জীবনকে কে করি চলো আনন্দের বাগান


অনেক অনেক কথা

অনেক অনেক কথা
লিখব বলে এলাম চলে -অনেক অনেক কথা ...তোময়ে পেয়ে ভুলে গেলাম যত মনের ব্যথা ........

তুমি শুধু

তুমি শুধু
তুমি শুধু থেকো মোর মনের ঈশান কোণে.....সব কিছু তুচ্ছ করে ভালো বাসবো জীবনকে ...এলোমেলো জীবন আমি সাজবো প্রাণ ভরে ...বাঁচব আবার নতুন করে ,নতুন উদ্দমে..

Followers

Blog Archive

Powered By Blogger